মঙ্গলবার । জুন ২, ২০২৬
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক ২ জুন ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ন
শেয়ার

‘বাংলাদেশে কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন জানি’ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক মমতা


Mamata trinomool

এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে

বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা ব্যানার্জী। মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার ধর্মতলায় একটি ধর্না মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় তিনি প্রশ্ন রাখেন- বাংলাদেশে… কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন?

এসময় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আসা একটা বড় খুনিকে এসটিএফ অ্যারেস্ট করেছিল জেনে রাখুন। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক রেভল্যুশন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না, আমার সেই অধিকার নেই, কিন্তু আমার মুখ্য বক্তব্য হলো, তারা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে। তখন আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরেরই মার্চ মাসে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বাংলাদেশে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেন।

এই দুই অভিযুক্ত মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে জানিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এর পরে অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা নামে একজনকে নদিয়ার শান্তিপুরের কাছ থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফ।

এর আগে ফয়সাল করিম মাসুদকে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বলে ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

যদিও মমতা ব্যানার্জী হাদি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সরাসরি মুখে উচ্চারণ করেননি।

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তার পরে হোম মিনিস্টার অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে বলেন… আপনি বেঙ্গল পুলিশকে বলে দিন এই কথা যেন বাইরে না যায়। এটা দেশের স্বার্থে।’

মমতা ব্যানার্জী প্রশ্ন তোলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়েছিল? আজ গভর্নমেন্ট চেঞ্জ হলেও আমি তো সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথা ভাণ্ডার, তথ্য ভাণ্ডার, সত্য ভাণ্ডার।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলবো না।’

বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল