
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে এই কম্পন টের পান স্থানীয়রা। রাতে হঠাৎ করে এই ভূমিকম্প শুরু হওয়ায় বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত বাসাবাড়ি ও বহুতল ভবন থেকে নেমে রাস্তায় চলে আসেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর ও আতঙ্ক প্রকাশের ধুম পড়ে যায়।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি)-এর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট ও বাংলাদেশের করিমগঞ্জ সীমান্তবর্তী ভারতের আসামের শিলচর এলাকায়। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫।
উৎপত্তিস্থল ভারতের অভ্যন্তরে হলেও তীব্রতা কিছুটা থাকায় বাংলাদেশের বিশাল এলাকা জুড়ে এই কম্পন টের পাওয়া গেছে। তবে ভূমিকম্পটি স্বল্পস্থায়ী হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৭ মিনিটের দিকেও রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল সারা দেশ। চার দিনের মাথায় আবারও এই কম্পন অনুভূত হওয়ায় মানুষের মনে আতঙ্ক আরও জেঁকে বসেছে। গত রবিবারের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ ভুটানে।
সেই ঘটনাতেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছিল এবং মধ্যরাতে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পরপর দুটি ভূমিকম্পের ঘটনা পরিবেশ ও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে।
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল








































