
দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল
দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে আবারও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন তার রিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তকারী বিশেষ আইনজীবীরা। রোববার (৬ জুলাই) বিশেষ পরামর্শ দলের মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে স্বল্পস্থায়ী সামরিক আইন জারির চেষ্টার অভিযোগ উঠে, যার কারণে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।
সিউল-ভিত্তিক ইয়োনহাপ নিউজ জানিয়েছে, চো ইউন-সুকের নেতৃত্বে স্বাধীন আইনজীবী সুক-ইওলের বিরুদ্ধে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি নথি জালিয়াতি, রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন এবং বিশেষ সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন দায়ের করে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ওয়ারেন্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এটি রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় অনুরোধ। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রথম অনুরোধ গত মাসের শেষের দিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল আদালত।
শনিবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনকে আবারো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয় এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে তাকে সশরীরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার রিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এর আগে জানুয়ারিতে ইউনকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট, যিনি সরাসরি কারাগারে যান। তবে মার্চে আদালত তার গ্রেপ্তার আদেশ বাতিল করে এবং কারাবন্দি না রেখেই বিচার কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেয়, যার পর তিনি মুক্তি পান।




































