
আমাদের অতি পরিচিত মধ্যবিত্ত জীবনের পরতে পরতে থাকে হাজারো নাটকীয়তা। কখনো হঠাৎ আসা সুখের জোয়ার, আবার কখনো আচমকা কোনো দুঃসংবাদ। জীবনের সেই ‘আচমকা’ বা ‘হঠাৎ’ ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর সংমিশ্রণেই নির্মিত হয়েছে নতুন অরিজিনাল সিরিজ ‘আঁতকা’।
হরর-কমেডির হালকা আমেজ আর পারিবারিক ড্রামার এক অদ্ভুত মিশেল নিয়ে সিরিজটি নিয়ে আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি।
‘আঁতকা’ শব্দের অর্থই হলো হঠাৎ ঘটে যাওয়া কিছু। রাবা খানের গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপে সিরিজটি পরিচালনা করেছেন আরাফাত মহসীন নিধি। গল্পের মূল কেন্দ্রে রয়েছে একটি মাঝারি আকারের পরিবার। একই ছাদের নিচে বসবাস করা মানুষদের মধ্যকার ভালোবাসা, ভুল-বোঝাবুঝি আর প্রতিদিনের ছোট ছোট খুনসুটি কীভাবে বড় কোনো পরিস্থিতির মুখে পড়ে, তাই দেখা যাবে এই সিরিজে।
নির্মাতাদের দাবি, দর্শক এখানে নিজের পরিবারেরই প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন।
অভিজ্ঞ ও নবীনের মেলা
সিরিজটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর বিশাল কাস্ট। আবুল হায়াত, রোজী সিদ্দিকী ও সাবেরী আলমের মতো বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে পর্দা ভাগ করেছেন সুনেরাহ্ বিনতে কামাল, সোহেল মণ্ডল ও আরশ খানের মতো হালের জনপ্রিয় তারকারা। এছাড়াও রয়েছেন মৌসুমি নাগ, ফারিহা রহমান, মুকুল সিরাজ ও সুমন আনোয়ারসহ একঝাঁক শিল্পী।
শুটিং সেটের অভিজ্ঞতা ছিল আনন্দ ও রোমাঞ্চে ভরপুর। বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াতের কাছে এটি ছিল স্রেফ ‘ফ্যামিলি ফান’, আর রোজী সিদ্দিকীর চোখে এটি ‘পুরোদস্তুর ফ্যামিলি ড্রামা’। অন্যদিকে নবীন অভিনেতা আরশ খান ও ফারিহা রহমান জানান সিনিয়রদের সামনে অভিনয় করতে গিয়ে নার্ভাস হয়ে পড়ার গল্প। সোহেল মণ্ডল ও সুনেরাহ্র মতে, একাধিক প্রজন্মের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ শিক্ষণীয় ও স্বতঃস্ফূর্ত।
নেপথ্যের কারিগরদের ভাবনা
পরিচালক আরাফাত মহসীন নিধি অনেকদিন ধরেই এমন একটি পারিবারিক গল্পের অপেক্ষায় ছিলেন। অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো চিত্রনাট্যকার হিসেবে নাম লেখানো রাবা খান মনে করেন, জীবনের সাধারণ অভিজ্ঞতাগুলোই দর্শকদের সবচেয়ে বেশি টানে।
চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, “নতুন বছরের শুরুটা আমরা একটি সুস্থ ধারার পারিবারিক গল্প দিয়ে করতে চেয়েছি, যা পুরো পরিবার একসঙ্গে বসে উপভোগ করতে পারবে।”
১৪ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকেই দর্শকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করলেই মুখোমুখি হবেন এই ‘আঁতকা’ পরিস্থিতির।









































