
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছেন, যার মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
লক্ষ্য হিসেবে ইরানে ‘শাসন পরিবর্তনের’ অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করার কথা বলা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্ররা সতর্ক করে জানিয়েছে, শুধু বিমান হামলা দিয়ে শাসন পরিবর্তন সম্ভব নয় এবং উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও দেবে না।
রয়টার্স ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ মাসের শুরুতে ইরানে বিক্ষোভ দমনের পর ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভাব্য হামলার বিকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু করে। বড় ধরনের সামরিক অভিযান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এরই মধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশটির সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রাথমিক আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমিত করার দাবি জানালেও ইরান কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা করতে চায়, ফলে আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েল মনে করে, শুধু বিমান হামলা দিয়ে ইরানের শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটানো সম্ভব নয় এবং প্রয়োজন হলে স্থলপথে অভিযান দরকার হতে পারে।
এর মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সেনাবাহিনী এক হাজার ড্রোনের একটি নতুন চালান পেয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম। সেনা নেতৃত্ব জানিয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দিতে তারা প্রস্তুতি জোরদার করছে।



































