
ফাইল ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষককে পাঠদানের বাইরে অন্তত ৩৭ ধরনের নন-প্রফেশনাল কাজে যুক্ত থাকতে হচ্ছে। এতে প্রতিবছর সরকারের এক হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও শিক্ষার্থীরা এর সরাসরি সুফল পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) পরিচালিত এক গবেষণা।
‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার শিক্ষণ ও শিখনগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষকরা গড়ে মাসে প্রায় ২৪ ঘণ্টা অপেশাদার কাজে ব্যয় করেন, যার ফলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৯০ শতাংশ শিক্ষক জানান, অতিরিক্ত কাজ শেষে ক্লাসে গিয়ে তারা পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন এতে শিক্ষার্থীদের শেখার মান ও পরীক্ষার ফল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের বড় অংশ ‘লেট-স্টেজ বার্নআউট’-এ ভুগছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনটি গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।








































