
ফাইল ছবি
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি ওয়াশিংটনে গাজার বোর্ড অব পিস সম্মেলনে ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
ইরান এই হুমকির জবাবে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত আমির সাইদ ইরাভানি বলেন, যদি ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান যুদ্ধ চাইছে না, তবে হামলার সাপেক্ষে এর জবাব দিতে বাধ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে সীমিত হামলা চালানো হতে পারে। এতে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হবে। এর মাধ্যমে ইরানকে চুক্তিতে আসতে চাপ দেওয়া হবে। তবুও যদি ইরান চুক্তি না মানে, তাহলে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা রয়েছে, যার লক্ষ্য হতে পারে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সরকারের পতন।
এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প ও ইরানের বিবৃতি উভয়ই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।




































