রবিবার । মার্চ ২২, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক জাতীয় ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ন
শেয়ার

রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই জ্ঞানী-গুণী মানুষদের সম্মানিত করে: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতি মানুষদের সংখ্যা যত বেশি বাড়তে থাকবে, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হতে থাকবে। সুতরাং রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই জ্ঞানী-গুণী মানুষদের সম্মানিত করে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে দেশের ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক তুলে দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, নৈতিক মানসম্পন্ন তেমনি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অবশ্যই কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়, বরং এর মধ্য দিয়ে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত দেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও চর্চায় নিজেদেরকে এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাঁদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।

দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। তারা হলেন– চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যকলায় অর্থী আহমেদ, নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ। এছাড়া, সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে।