
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি ব্যয় সংকোচন ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি গাড়ির জন্য বরাদ্দ করা মাসিক জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম গ্রহণ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে আপাতত কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার ঋণ বন্ধের পাশাপাশি সরকারি অর্থায়নে সকল ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণও স্থগিত থাকবে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে খরচ ৫০ শতাংশ এবং সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সেমিনার বা কনফারেন্সের ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা।
উল্লেখ্য, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী উপসচিব ও তার ওপরের পদমর্যাদার কর্মকর্তারা গাড়ি কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। ঋণের পাশাপাশি তারা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাতা এবং বার্ষিক ১০ শতাংশ অবচয় সুবিধাও ভোগ করতেন।
সরকারের নতুন এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতির ফলে এখন থেকে এসব বিশেষ সুবিধা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি অর্থের অপচয় রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।






































