
ড. মাহদী আমিন
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক এবং শূন্য পদসমূহে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন।
বর্তমান সরকারের দুই মাস পূর্ণ হওয়ায় আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। সেখানে শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতের এই বৃহৎ নিয়োগ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
ড. মাহদী আমীন জানান, শিক্ষাকে আনন্দময় করতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, কারিগরি শিক্ষা ও সংস্কৃতি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনার পাইলট কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে ১৮ জন করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে এবং ১০০ জন ক্রীড়াবিদকে স্পোর্টস অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবারও শুরু হয়েছে প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা “নতুন কুঁড়ি”, যেখানে প্রথমবারের মতো কোরআন তেলাওয়াত ও ক্রীড়া বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে এবং দেশব্যাপী বইপড়া উৎসাহিত করতে বেসরকারি খাতের সাথে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, এই পদক্ষেপগুলো দেশের নতুন প্রজন্মকে যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।











































