cosmetics-ad

সিপিএলে প্রথম ম্যাচেই সাকিবের বাজিমাত

shakib-cpl

ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজটা যেখানে শেষ করেছিলেন, দূর দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন বাংলাদেশ দলের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শেষদিকে খেলতে গিয়ে, প্রথম ম্যাচেই বল হাতে নিজের জাত চেনালেন সাকিব।

রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬.০০টায় নিজেদের অষ্টম ম্যাচে সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে খেলতে নেমেছে সাকিবের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্ট। প্লে অফে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় পেতেই হবে বার্বাডোজকে। এমন ম্যাচে বল হাতে নিজের ৪ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৪ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়েছেন সাকিব, করেছেন একটি মেইডেন ওভারও।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের এমন বোলিং পারফরম্যান্সের পর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের বেশি করতে পারেনি সেন্ট কিটস। ম্যাচ জয়ের জন্য সাকিবের বার্বাডোজকে করতে হবে ১৫০ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভার ব্যাটিং করে ২ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান করেছে বার্বাডোজ। শেষের ১০ ওভারে করতে হবে আরও ৭৮ রান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৮ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত রয়েছেন সাকিব।

বার্বাডোজের মাঠে খেলতে এসে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সেন্ট কিটস। ফিল্ডিংয়ে নেমে প্রথম ওভারটিই সাকিবের হাতে তুলে দেন বার্বাডোজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়ে ইনিংসের শুরুর ওভারে মেইডেন দিয়ে এবারের সিপিএলে নিজের পথচলা শুরু করেন সাকিব।

পরে তৃতীয় ওভারে সাকিব খরচ করেন ৪ রান, এ দুই ওভার করিয়ে পরের জন্য তার ওভার রেখে দেন হোল্ডার। সেন্ট কিটসের মোহাম্মদ হাফিজ (১৩), এভিন লুইস (১৯) কিছু করতে না পারলেও শামার ব্রুকস চেপে বসেন স্বাগতিক বোলারদের ওপর। খেলেন ৩৩ বলে ৫৩ রানের এক ইনিংস।

মাঝে সাকিবকে নবম ওভারে ডাকেন হোল্ডার। সে ওভারে আসে ৬ রান। তিন ওভার শেষে সাকিবের বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩-১-১০-০। শুরু থেকেই দারুণ বোলিং করলেও উইকেটের দেখা মিলছিল না কিছুতেই। নিজের চতুর্থ ওভার করতে আসেন ইনিংসের ১৭তম ওভারে।

স্লগে বোলিং করতে এসে নিজের প্রথম বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন কার্লোস ব্রাথওয়েটকে। পরে ওভার থেকে খরচ করেন আরও ৪ রান। সবমিলিয়ে নিজের ৪ ওভারে কোনো বাউন্ডারি হজম না করে এক মেইডেনের সহায়তায় মাত্র ১৪ রান খরচায় ১ উইকেট নেন সাকিব।

শেষদিকে ফ্যাবিয়ান অ্যালেন ১৩ বলে ২০ ও কিরন কটয় ১০ বলে ১৩ রান করে দলীয় সংগ্রহটাকে ১৪৯ রান পর্যন্ত নিয়ে যান। বার্বাডোজের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন হেইডেন ওয়ালশ ও হ্যারি গার্নি।