মঙ্গলবার । মার্চ ২৪, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ২৬ জুন ২০২৫, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৯, আহত ৪০০


ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭৯ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন প্রায় ৪০০ জন। হামাস–নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রামাল্লার কাফর মালেক এলাকায় ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েকজন। খবর আল জাজিরা।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, পূর্ব গাজা শহরের শেজাইয়া এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১২ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্তা ওয়াফা মেডিকেল সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মধ্য গাজার নেটজারিম এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহের চেষ্টা করার সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আরো ৩৩ জন নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, বুধবার (২৫ জুন) মধ্য ও উত্তর গাজাতেও বিমান হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।

বাসাল বলেন, কেন্দ্রীয় নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে ভোরবেলা ইসরায়েলি হামলায় এক শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন, দেইর আল-বালাহ এবং গাজা শহরের পূর্বে দুটি পৃথক হামলায় আরো ১০ জন নিহত হয়েছেন।

একটি মেডিকেল সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার পূর্ব খান ইউনিসের আবাসান শহরে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকারী দল এক তরুণ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করেছে।

উত্তর গাজার জাবালিয়া আল-বালাদে ওমারি মসজিদের কাছে মানুষের সমাবেশ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরো দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এ ছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহর উত্তর-পূর্বে কাফর মালেকে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কমপক্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন। সেদিন দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান হামাসের যোদ্ধারা।

জবাবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫৬ হাজার ১৫৬ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নারী-শিশু। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ।