
কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বড় জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে প্রথম ম্যাচেই মোনাকোকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
এই জয়ে ৩৬ দলের লিগ পর্বের টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফলে শেষ ষোলোতে টপ সিডিং পাওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল তারা। বিপরীতে, সেবাস্তিয়ান পোকোনিওলির শিষ্যদের জন্য আগেভাগে বিদায়ের শঙ্কা আরও ঘনিয়ে এল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় রিয়াল। মাত্র পাঁচ মিনিটেই সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো ও ফেদেরিকো ভালভার্দের সঙ্গে চমৎকার সমন্বয়ের পর নিচের বাঁ কোণে নিখুঁত শট নেন তিনি।
এরপর পাল্টা আক্রমণে সুযোগ পায় মোনাকো। বার্সেলোনা থেকে ধারে আসা আনসু ফাতি একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। তবে ২০ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের বাড়ানো বল থেকে সহজ ফিনিশে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। এই গোলে বড় ভূমিকা ছিল এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার। বিরতির আগে জর্ডান তেজের জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে ব্যবধান কমাতে পারেনি মোনাকো।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে রিয়াল। ৩-০ গোলটি আসে আর্জেন্টাইন তরুণ মাস্তান্তুয়োনোর পা থেকে। ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত টার্ন ও পাস কাজে লাগিয়ে নিজের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোলটি করেন তিনি।
এরপর বাঁ দিক থেকে ভিনিসিয়ুসের ক্রস থিলো কেরারের গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে পড়ে—আত্মঘাতী গোল। ৬৩ মিনিটে নিজেও গোলের দেখা পান ভিনিসিয়ুস। আর্দা গুলেরের পাস থেকে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শক্ত শটে জাল কাঁপান ব্রাজিলিয়ান তারকা।
মোনাকো একটি গোল শোধ দেয়, যখন বদলি দানি সেবাইয়োস নিজেদের বক্সে বল হারালে জর্ডান তেজে সুযোগ কাজে লাগান। তবে শেষ কথা বলে রিয়ালই। ম্যাচের দশ মিনিট বাকি থাকতে গোলকিপারকে কাটিয়ে ব্যবধান আবার পাঁচ গোলে নিয়ে যান জুড বেলিংহাম।










































