
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, তার মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বক্তব্য কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহে এক জনসভায় তিনি বলেন, “গতকাল চট্টগ্রামে আমি যা বলেছি আর পত্রিকায় যা লেখা হয়েছে—দুটি একেবারেই ভিন্ন। বিষয়টি সত্যিই আশ্চর্যজনক।”
চট্টগ্রামের জনসভায় শফিকুর রহমান বলেছিলেন, “বাংলাদেশে একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকেই হয়েছিল। আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান, এলডিপির সভাপতি ডক্টর কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’।”
ময়মনসিংহে তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। আমি যা বলি, তারা ইচ্ছে করে অন্যভাবে লেখে। প্রতিবাদ জানালে তা খুব ছোট করে প্রকাশ করা হয়। ততক্ষণে চরিত্রহননের কাজ শেষ হয়ে যায়।”
শফিকুর রহমান সব গণমাধ্যমকে সতর্ক করে বলেন, “আমি যা বলব, তা হুবহু আমার মতো করেই প্রকাশ করবেন। নিজের কল্পনা বা ব্যাখ্যা মিশিয়ে প্রচার করবেন না। এভাবে করা হলে তা আমার ওপর জুলুম হবে। আমার কথা পছন্দ না হলে প্রচার না করলেও সমস্যা নেই। তবে প্রচার করলে হুবহু প্রকাশ করতে হবে।”
তিনি জনসাধারণের মনোভাব পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, “জনগণ পুরোনো ও পচা রাজনীতি আর চায় না। শুরুতে ‘না’ ভোটের পক্ষে যারা প্রচারণা চালিয়েছিল, তারা এখন জনগণের মনোভাব বুঝতে পেরে অবস্থান পরিবর্তন করছেন। জনগণ এখন উত্তাল, তারা আর দলীয় সরকার দেখতে চায় না।”
ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এবং ময়মনসিংহে কৃষি বিপ্লব ঘটবে।
সভায় ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল হাসান এমরুলের সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ নেত্রকোণা জেলার জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।










































