
ফাইল ছবি
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত ২ হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।
জামিন চেয়ে আইভীর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা এই দুই মামলায় রুলসহ জামিন আদেশ দেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাবন্দী সাবেক মেয়র আইভী। আদালতে আইভীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
ওই পাঁচ মামলায় যেদিন হাইকোর্ট থেকে সেলিনা হায়াৎ আইভী জামিন পান, সেদিনই আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং তা মঞ্জুর হয়। পৃথক এই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এসব জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এসব মামলায় চেম্বার আদালতে তার জামিন স্থগিত করে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য ৩ মে দিন ধার্য করেছেন।
এ অবস্থায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এ দুইটি মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখাতে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ আবেদন করে। একটি মামলায় ২ মার্চ এবং অপর মামলায় ১২ এপ্রিল গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। এই মামলা দুইটিতে তাকে জামিন দিলেন হাইকোর্ট।











































