বুধবার । জুন ৩, ২০২৬
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক ৩ জুন ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ন
শেয়ার

কর্ণাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার


SHIVAKUMAR

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ৩৪তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার। বুধবার বিকেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট তাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান।

বেঙ্গালুরুর লোক ভবনের গ্লাস হাউসে অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন শিবকুমার। একই সঙ্গে জি পরমেশ্বর কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আরও ১৩ জন নেতা মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। তারা হলেন— কে এইচ মুনিয়াপ্পা, কে জে জর্জ, যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়া, প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, এম বি পাটিল, সতীশ জারকিহোলি, কৃষ্ণা বাইরে গৌড়া, রামালিঙ্গা রেড্ডি, ইউ টি খাদার, ঈশ্বর খন্দ্রে, বাইরাথি সুরেশ এবং ড. শরণ প্রকাশ পাটিল।

গত ৩০ মে অনুষ্ঠিত কংগ্রেস বিধায়ক দলের (সিএলপি) বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ডি কে শিবকুমারকে দলীয় নেতা নির্বাচিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে কানাকাপুরা আসনের প্রতিনিধিত্ব করা শিবকুমার টানা অষ্টমবারের মতো ওই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিদ্দারামাইয়ার পদত্যাগের পর দায়িত্ব গ্রহণ
গত ২৮ মে কর্ণাটকের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া পদত্যাগ করেন। তিনি জানান, কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশেই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন, যাতে উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া যায়।

এ সময় সিদ্দারামাইয়ার ছেলে যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়ার নামও উপমুখ্যমন্ত্রী পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসে। তবে তিনি সেই গুঞ্জন নাকচ করে দেন।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত খাড়গে ও রাহুল গান্ধী
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপালসহ দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শপথ নেওয়ার আগে ডি কে শিবকুমার বিভিন্ন ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের আশীর্বাদ নেন।

ডি কে শিবকুমার ২০২০ সালে কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (কেপিসিসি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এখনো সেই পদে রয়েছেন। ২০২৩ সালের কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের বড় জয়ের পেছনে তার সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও নির্বাচনী কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল বলে দলীয় নেতারা মনে করেন।