
ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা উত্তরপাড়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে কুলসুম আক্তার (২৮) নামে ওই নারীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বেড়তলা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী আক্তার হোসেনের স্ত্রী।
পরিবারের অভিযোগ, কুলসুমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তবে বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি এবং কেউ গ্রেপ্তারও হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে পানিশ্বর ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামের আলী হোসেনের মেয়ে কুলসুম আক্তারের সঙ্গে বেড়তলা গ্রামের দুধু মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, স্বামীর বাড়ির টিনশেড ঘরের এক পাশে কুলসুম একা থাকতেন, পাশের ঘরে থাকতেন তার দেবর আলকাছ। বুধবার রাতে তিনি নিজ কক্ষে একা ঘুমিয়ে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলে শাশুড়ি ঘরে গিয়ে তাকে বিছানায় চিৎ হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন এসে মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
নিহতের বাবা আলী হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘরের ভেতর থাকা টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। পাশাপাশি জায়গা-সম্পর্কিত বিরোধের জেরে আগে থেকেই তাকে নির্যাতন করা হতো বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি চুরির অভিযোগের বিষয়টি সঠিক নয় বলেও উল্লেখ করেন।












































