
ফাইল ছবি
দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক উত্তরণকে আরও এগিয়ে নিতে হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
বুধবার রাজধানীতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ১৯৭৫-পরবর্তী সংকটময় পরিস্থিতি থেকে দেশ নানা কৌশলে অর্থনীতির নতুন ধাপে পৌঁছেছে। এখন দেশের স্বার্থের পাশাপাশি বিনিয়োগকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিতুমীর বলেন, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য সমালোচনার সংস্কৃতিও প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিনিয়োগকে কীভাবে আরও গতিশীল করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পাঁচ বছরের কর কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
অর্থায়ন সহায়তায় ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবং ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়ার জন্য সরকারের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে বলেও জানান তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আগামী জুলাই পর্যন্ত জ্বালানি খাতে প্রায় ৩ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি প্রয়োজন হতে পারে উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে দেশের জন্য একটি সমন্বিত জ্বালানি হাব গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।














































