
“আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। সুতরাং সেফ এক্সিট আমার জন্য নয়, আমি এ দেশেই থাকব।” – এভাবেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।
আজ সকালে বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ফারুক-ই-আজম বলেন, “টাইফয়েড টিকা সকলের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। এই রোগে আক্রান্ত রোগী নানান শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. রায়হান কাওসার, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আব্দুস সালাম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা ফারজানা।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, বরিশাল বিভাগে ২৬ লাখ ১৪ হাজার মানুষকে টাইফয়েড টিকার আওতায় আনা হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই টিকা দেওয়া হবে। এরপর ১ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এই টিকা কার্যক্রম চলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টিকা কার্যক্রমের মাধ্যমে বরিশালসহ পুরো দেশে টাইফয়েড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে।




































