শনিবার । মার্চ ২১, ২০২৬
এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক বিনোদন ৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

 বক্স অফিসে ক্যামেরন ম্যাজিক, ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে ‘অ্যাভাটার’ 


Avator

জেমস ক্যামেরনের জাদুকরী সৃষ্টি প্যান্ডোরার নতুন গল্প আবারও বিশ্বজুড়ে বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মাথায় ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ হয়েছে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারের মধ্যে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি ও কোরিয়া আয়ের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

তবে গাণিতিক বিচারে আগের দুটি কিস্তির তুলনায় তৃতীয় কিস্তিটি ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে পৌঁছাতে কিছুটা বেশি সময় নিয়েছে। ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এবং ২০২২ সালের ‘দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’ মাত্র ১৪ দিনে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিল। যদিও আগের দুটি ছবি শেষ পর্যন্ত যথাক্রমে ২.৯ বিলিয়ন এবং ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে ইতিহাসের সফলতম ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, এখন দেখার বিষয় ‘অ্যাভাটার ৩’ ২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে কি না। এই বিশাল লক্ষ্য পূরণে ছবিটিকে মূলত বিদেশি দর্শকদের ওপরই বড় ভরসা রাখতে হবে।

ডিজনির জন্য এটি একটি অত্যন্ত সফল বছর হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর এটি তাদের ২০২৫ সালের তৃতীয় সিনেমা যা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করল। এই সাফল্যের মাধ্যমে কোভিড-পরবর্তী সময়ে স্টুডিওটির মোট আয় ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। জেমস ক্যামেরনের ক্যারিয়ারেও এটি এক নতুন পালক, কারণ এটি তার চতুর্থ সিনেমা যা ১ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়াল। এখন পর্যন্ত তিনিই একমাত্র পরিচালক যার তিনটি সিনেমা ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করার রেকর্ড গড়েছে।

জ্যাক সুলি ও নেইতিরির পরিবারের এক নতুন ও ভয়ংকর শত্রুর মোকাবিলা করার রোমাঞ্চকর গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটির ওপরই নির্ভর করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ভবিষ্যৎ। পরিচালক জেমস ক্যামেরন জানিয়েছেন, যদিও তার পরিকল্পনা ছিল মোট পাঁচটি কিস্তি নির্মাণের, তবে ‘অ্যাভাটার ৪’ ও ‘অ্যাভাটার ৫’ তৈরি হবে কি না তা মূলত এই ছবিটির চূড়ান্ত বাণিজ্যিক লাভের ওপর নির্ভর করছে। তার মতে, বড় বাজেটের সিনেমাগুলো যে এখনও দর্শককে প্রেক্ষাগৃহে টেনে আনতে সক্ষম, সেটি বারবার প্রমাণ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।