শনিবার । মার্চ ২১, ২০২৬
এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক বিনোদন ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

সিনেমা উৎসবের মহাযজ্ঞে বাংলাদেশের ৫৮টি গল্প


Dhaka film festival

জানুয়ারির কনকনে শীতে রুপালি পর্দার উত্তাপ ছড়াতে প্রস্তুত ঢাকা। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই চলচ্চিত্র মহোৎসবে এবার ৭০টিরও বেশি দেশের ২৪৬টি সিনেমা প্রদর্শিত হবে। 

বরাবরের মতোই দেশের দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে বাংলাদেশের ১৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৪৩টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

এশিয়ান কম্পিটিশন বা মূল প্রতিযোগিতায় এবার দেশি কোনো সিনেমা না থাকলেও ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগটি সেজেছে দেশের সেরা ৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দিয়ে। যার মধ্যে বিশেষ চমক হিসেবে থাকছে আহমেদ হাসানের ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’ সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার। 

এছাড়া রয়েছে সোহেল রানার ‘নয়া মানুষ’, তরুণ তুর্কিদের সিনেমা ‘উড়াল’ এবং গত ঈদের আলোচিত ছবি তানিম নূরের ‘উৎসব’। বিপ্লব কুমার পালের ‘ধামের গান’ কিংবা সুমন ধরের ‘আগন্তুক’ সব মিলিয়ে দেশীয় গল্পের এক বৈচিত্র্যময় ডালি নিয়ে হাজির হচ্ছে এই বিভাগটি।

তরুণদের ভাবনা ও নারী নির্মাতাদের জয়জয়কার
নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের জন্য সাজানো হয়েছে ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা ট্যালেন্ট’ সেকশন, যেখানে ১১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা প্রদর্শিত হবে। আবির ফেরদৌসের ‘স্পাইট’ থেকে শুরু করে তৌহিদ তুষারের ‘বিফোর দ্য এন্ড’ প্রতিটি সিনেমাতেই থাকছে আধুনিক জীবনের নানা সমীকরণ। অন্যদিকে ‘উইমেন সেকশন’-এ জায়গা করে নিয়েছেন ৫ জন নারী নির্মাতা। তাদের গল্পে উঠে আসবে সমাজ ও জীবনের ভিন্ন সব দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়া শিশুদের জন্য ‘চিলড্রেন ফিল্ম’ এবং আধ্যাত্মিক চেতনার ‘স্পিরিচুয়াল’ সেকশনেও রয়েছে বাংলাদেশের প্রশংসনীয় উপস্থিতি।

যেখানে বসবে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মেলা
১০ জানুয়ারি বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে উৎসবের পর্দা উঠবে চীনা চলচ্চিত্র ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’ প্রদর্শনের মাধ্যমে। ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা ৯ দিনের এই আয়োজন ছড়িয়ে থাকবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামসহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। 

‘ওপেনটি বায়োস্কোপ’ থেকে শুরু করে ‘শর্টস অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট’ প্রতিটি বিভাগেই দেখা মিলবে দেশি প্রতিভার স্বাক্ষর। বিশ্ব চলচ্চিত্রের বিশাল সমুদ্রে বাংলাদেশের সিনেমাগুলো কতখানি ঢেউ তুলতে পারে, এখন তারই অপেক্ষায় সিনেপ্রেমীরা।