
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের হজ মৌসুম (১৪৪৭ হিজরি) উপলক্ষে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে হজ ভিসা ইস্যু কার্যক্রম শুরু করছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের আগমনের আগেই সেবার প্রস্তুতি জোরদার ও পুরো প্রক্রিয়া সহজ করতেই আগাম ভিসা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবা ও চুক্তি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কায় আবাসন সংক্রান্ত সব চুক্তিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার হজযাত্রী নিজ নিজ দেশ থেকেই সরাসরি হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।
আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রায় ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৭৩টি হজ অফিস তাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজে অংশ নিতে নিবন্ধন করা সরকারি ও বেসরকারি সব হজযাত্রীকে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণের পর ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে।
সৌদি আরবের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিটনেস সনদসহ আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে হজ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রীকে হজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজ ফ্লাইট চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ এপ্রিল।






































