রবিবার । মার্চ ২২, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

বয়কট এড়াতে ফিলিস্তিনি লেবেলে বিক্রি হচ্ছে ইসরায়েলি খেজুর


israel-date

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানদের ইফতারের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান খেজুরকে কেন্দ্র করে সতর্কবার্তা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি কোম্পানিগুলো অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত খেজুরকে বিভ্রান্তিকর লেবেল ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি খেজুর হিসেবে বাজারজাত করছে।

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কট বেড়ে যাওয়ার পর এ কৌশল নেওয়া হয়েছে। আল ঘাদ টিভির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগে যেখানে খেজুরের বাক্সে লেখা থাকত ‘মেড ইন ইসরায়েল’, এখন তা ‘মেড ইন ওয়েস্ট ব্যাংক’ বা ‘ফিলিস্তিনে উৎপাদিত’ বলে ভুয়া লেবেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি বিক্রেতা মোহাম্মদ কায়েদ সালিম জানান, জর্ডান ভ্যালি ও মৃত সাগর অববাহিকার জলবায়ু একই রকম হওয়ায় ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি খেজুরের বাহ্যিক রূপ প্রায় একরকম, ফলে সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে এ দুটি আলাদা করা কঠিন।

ফিলিস্তিনি রপ্তানি প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাওয়াফতেহ বলেন, আসল ফিলিস্তিনি খেজুর চেনার জন্য শুধু বাহ্যিক রূপ দেখে বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক নয়। পণ্যের সঙ্গে থাকা সরকারি নথিপত্র, যেমন কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সনদ, কাস্টমসের ‘ইইউআর.১’ ডকুমেন্ট ও চেম্বার অব কমার্সের উৎপত্তি সনদ পরীক্ষা করা জরুরি।

ফিলিস্তিনি পাম ও খেজুর কাউন্সিলের প্রধান ইব্রাহিম দাঈক জানান, ফিলিস্তিনি পণ্যের গায়ে সাধারণত লেখা থাকে ‘ফিলিস্তিনের পণ্য’ এবং বারকোড ‘৬২৫’ দিয়ে শুরু হয়। অন্যদিকে, ইসরায়েলি পণ্যের বারকোড সাধারণত ‘৭২৯’ বা ‘৮৭১’ দিয়ে শুরু হয়।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অনেক সময় ইসরায়েলি কোম্পানি নতুন পরিবেশকের নামে পণ্য পুনরায় প্যাকেটজাত করে আসল পরিচয় লুকিয়ে দেয়। বাজারে ‘জর্ডান রিভার’, ‘মেহাদ্রিন’, ‘হাদিক্লাইম’, ‘কিং সলোমন’, ‘কারমেল আগরেক্সকো’ এবং ‘স্টার ডেটস’ ব্র্যান্ডের খেজুর নিরপেক্ষ মোড়কে বিক্রি হতে পারে। তাই এই নামের পণ্য কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।