
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র মার-এ-লাগো। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবন ও রিসোর্ট মার-এ-লাগোতে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে সিক্রেট সার্ভিস। স্থানীয় সময় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে পাম বিচে এ ঘটনা ঘটে।
সিক্রেট সার্ভিসের বরাত দিয়ে জানা যায়, বাসভবনের উত্তর প্রবেশপথের কাছে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়। তার হাতে শটগানের মতো একটি অস্ত্র এবং একটি জ্বালানির পাত্র ছিল বলে ধারণা করা হয়।
ঘটনাস্থলে সিক্রেট সার্ভিস সদস্যদের পাশাপাশি পাম বিচ কাউন্টি শেরিফ দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে অস্ত্র ফেলে দিতে নির্দেশ দেন। পাম বিচ কাউন্টির শেরিফ রিক ব্র্যাডশ জানান, যুবকটি জ্বালানির পাত্র ফেলে দিলেও শটগানটি গুলি ছোড়ার উপযোগী অবস্থায় তুলে ধরেন। তখনই নিরাপত্তার স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের বয়স বিশের কোঠায়। তবে তার পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছেন বলে তার প্রকাশিত সময়সূচিতে উল্লেখ রয়েছে। ঘটনাটির সময় তিনি ফ্লোরিডায় ছিলেন না। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
ট্রাম্পকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে সশস্ত্র সন্দেহভাজনের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট পাম বিচের ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে ঝোপের আড়ালে রাইফেল তাক করে থাকা এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন সিক্রেট সার্ভিসের এক এজেন্ট। পরে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ২০ বছর বয়সী হামলাকারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। ওই হামলায় একজন নিহত ও দুজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া ট্রাম্প কানে গুলিবিদ্ধ হন।





































