
ফাইল ছবি
ভারত ও ইসরায়েল তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি চুক্তি সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সফর শেষে দেশে ফেরার আগে মোদী বলেন, ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক গভীর আস্থা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এ সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
এর আগে ২০১৭ সালে মোদীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক ইসরায়েল সফরে দুই দেশ সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্ব হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এবার সেটিকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নেওয়া হলো।
নেতানিয়াহু সফরটিকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও আবেগঘন’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সময় স্বল্প হলেও এ সফর ছিল অসাধারণ। দুই নেতার মধ্যে যে মত ও হৃদয়ের মিলন ঘটেছে, তা সরকার-টু-সরকার পর্যায়েও আরও শক্তিশালী হবে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অন্যতম প্রধান অর্জন ছিল প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত। মোদী বলেন, প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের কেন্দ্রবিন্দু। ‘গুরুত্বপূর্ণ ও উদীয়মান প্রযুক্তি অংশীদারত্ব’ গঠনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নতুন গতি পাবে।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরের মূল গুরুত্ব ছিল প্রযুক্তি খাত—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, উদ্ভাবন গবেষণা ও স্টার্টআপ খাতে সহযোগিতা।
সামগ্রিকভাবে এ সফর থেকে ২৭টি ফলাফল এসেছে, যার মধ্যে ১৭টি চুক্তি সই হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব দুই দেশের প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।






































