
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আতঙ্ক চেপেছে জনমনে। তবে এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেল কেনাবেচার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত মূল্য মেনে চলা বাধ্যতামূলক। সংকটের অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় করা আইনগত অপরাধ। সাধারণত প্রতি মাসের শুরুতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় বা নির্ধারণ করে থাকে, যা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছু ভোক্তা ও ডিলার প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে অবৈধভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে তেল মজুত না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি।
সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে আমদানির নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নিয়মিত তেলের পার্সেল দেশে পৌঁছাচ্ছে। বর্তমানে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে সারা দেশের সব ডিপোতে তেল পাঠানো হচ্ছে। খুব দ্রুতই দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত (বাফার স্টক) গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সরকারি এই সংস্থাটি।
































