
উদ্ধার অভিযানে এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে অন্তত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত প্রায় ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেন ব্যবহার করে বাসটিকে নদীর তলদেশ থেকে টেনে তোলা হয়।
উদ্ধার অভিযানে এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে অন্তত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন, যাদের মরদেহ শনাক্তের পর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তবে এখনও বেশ কয়েকজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল প্রায় ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুনে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীর গভীর পানিতে পড়ে যায়। এসময় কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মাত্র সাতজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়েছিলেন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল।
বাসটি নদী থেকে তোলা হলেও এর ভেতরে আরও যাত্রী আটকা পড়ে আছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে পদ্মা নদীর প্রবল স্রোত ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।





































