
ব্রিটেনের রাজা চার্লস (তৃতীয়)
ব্রিটেনের রাজা চার্লস (তৃতীয়) এমন এক সময় যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন যখন দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যগত ‘বিশেষ সম্পর্ক’ প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবেন রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা। সফরের লক্ষ্য দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত করা। ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক, কংগ্রেসে ভাষণ এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সত্ত্বেও, ব্রিটিশ সরকার আশা করছে রাজা ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন। তবে জলবায়ু নীতি ও অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্প ও চার্লসের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।

সফরে বৃটেনের রাজা আমেরিকার সাধারণ মানুষের সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। নিউইয়র্কে ৯/১১ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন, ভার্জিনিয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে তার।
এই সফরকে উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ঐতিহাসিক সম্পর্ক নতুন করে দৃঢ় করার চেষ্টা করা হবে।
এদিকে হোয়াইট হাউসও এই সফরকে ঘিরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। রাষ্ট্রীয় নৈশভোজসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান বজায় রাখা হবে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও পরিকল্পনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অতীতেও মতবিরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একসঙ্গে কাজ করেছে। তাই বর্তমান উত্তেজনার মধ্যেও এই সফর ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সিএনএন
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল











































