
দীপিকা পাড়ুকোন ও কঙ্গনা রানাওয়াত
বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’ কঙ্গনা রানাউতের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ আজ শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। নতুন এই ছবি মুক্তির রেশ ধরে বিনোদন দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কঠিন লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করার পাশাপাশি সমসাময়িক তারকা, বিশেষ করে দীপিকা পাডুকোনের প্রতি নিজের গভীর মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। একই সঙ্গে বলিউডের নতুন প্রজন্মের তারকাদের মানসিকতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।
ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করে ‘এন্টারটেইনমেন্ট লাইভ’-কে কঙ্গনা বলেন, “আমি যখন ঘর ছেড়ে পালিয়ে মুম্বাইয়ে ভাগ্য অন্বেষণে এসেছিলাম, তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১৫ কি ১৬ বছর। পাহাড়ি অঞ্চলের মেয়ে হওয়ায় আমি তখন ঠিকঠাক মতো অর্থপূর্ণ বাক্য গুছিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে পারতাম না। আজ আমি যা কিছু, তা চারপাশের মানুষকে দেখেই শিখেছি।”
সমসাময়িক অভিনেত্রীদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে কঙ্গনা বিশেষভাবে দীপিকা পাডুকোনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “দীপিকা পাডুকোন এবং অন্যদের স্পোর্টস বা অ্যাথলেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল, আর আমি এসেছিলাম বিজ্ঞান বিভাগ থেকে। শারীরিক কসরত, ফিটনেস ও কাজের প্রতি দীপিকাদের যে অসাধারণ শৃঙ্খলা, তা দেখেই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি এবং নিজেকে একজন পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলেছি।”
তবে বর্তমান প্রজন্মের নবাগত তারকাদের আচরণ ও মানসিকতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। বলিউডের নতুনদের নিশানা করে তিনি বলেন, “আজকের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আমি প্রচুর নেতিবাচকতা, ঈর্ষা, বিদ্বেষ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখি। এই মানসিকতা পুরো ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলছে।
আমার চেয়ে কেউ কম প্রতিভাবান হলে আমি তাকে সবসময় আগলে রাখি, আর কেউ বেশি প্রতিভাবান হলে তার কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করি। এখানে হিংসা বা নিরাপত্তাহীনতার কোনো জায়গাই নেই।”
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে দীপিকা পাডুকোনের ‘৮ ঘণ্টা কর্মদিবস’-এর দাবিকে পুরোপুরি সমর্থন জানিয়েছেন কঙ্গনা। দীপিকার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “দীপিকা এখন একজন মা, তার একটি সুন্দর পরিবার আছে। একজন শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে এই যৌক্তিক দাবি করার পূর্ণ যোগ্যতা ও অধিকার তার রয়েছে। আমরা নারীদের ওপর ক্যারিয়ার এবং সন্তান সামলানোর যে দ্বিগুণ মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করছি, তা কোনোভাবেই ঠিক নয়।”
ভিজুয়াল স্টোরি













































