
আমরা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সেই সতর্কতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি
ইরানের ওপর কোনো ধরনের সামরিক হামলা হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর মূল্য পুরো বিশ্বকেই দিতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন ইরানি বিশ্লেষক হামিদ রেজা গোলামজাদে।
ইরানের থিংক ট্যাংক ডিপ্লো হাউজের পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, আগে থেকেই তেহরান সতর্ক করেছিল যে ইরানের ওপর হামলা হলে তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে এবং এতে বৈশ্বিক অর্থনীতিও বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।
তেহরান থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোলামজাদে বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সেই সতর্কতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।’
তার মতে, সম্ভাব্য সংঘাতের প্রভাব শুধু ইরানের প্রতিবেশী দেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলও এর প্রভাব অনুভব করবে। তিনি অভিযোগ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
গোলামজাদে আরও বলেন, ইরান যদি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, তাহলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তার অংশ হতে পারে। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের একটি বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ পরিবাহিত হয়।
তিনি বলেন, ‘ইরানের নিরাপত্তা মানেই পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা, আর একইভাবে অঞ্চলের নিরাপত্তা ইরানের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।’ তার ভাষায়, ইরানের নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
বিশ্লেষকের মতে, যদি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়তে থাকে, তবে তার অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিণতি থেকে বিশ্ব কোনোভাবেই মুক্ত থাকতে পারবে না।







































