cosmetics-ad

ড্র টেস্টে যা অর্জন বাংলাদেশের!

bangladesh-india

পঞ্চমদিনে এসে ভারতের সাথে টেস্ট ড্র করলো বাংলাদেশ। শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে এই ফলাফলকে বেশ সন্তোষজনকই বলতে হবে। কিন্তু আসলেই কি তা সন্তোষজনক! ব্যাট-বলের এই লড়াইয়ে কৃতিত্ব যতনা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের, তারচেয়ে বেশি কৃতিত্ব বৃষ্টির।

১৬ বছর আগে এই ভারতের বিপক্ষে শেষদিনে এসে উইকেট বিলানোর মিছিলে যোগ দিয়ে হারতে হয়েছিল প্রথম টেস্ট। সেই পুরনো ধারায় থাকলেও এ ম্যাচ অবশ্য হারতে হয়নি টাইগারদের। পাঁচ দিনে ৪৫০ ওভারের জায়গায় খেলা হয়েছে মাত্র ১৮৪ ওভার। এর মধ্যে ভারতই খেলেছে ১০৩ ওভার। পাঁচদিন পুরো খেলা হলে ফলাফল হয়তো অন্যরকমই হতে পারতো।

এখন প্রশ্ন, তাহলে কি পেলো বাংলাদেশ? যা কিছু পেয়েছে তা সব ব্যক্তিগত অর্জন। দেশের মাটিতে ১০০ উইকেট পাওয়ার পর দেশের মাটিতে ২০০০ রান করার গৌরব অর্জন করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কমপক্ষে ১০০উইকেট এবং ২০০০ রান করেছেন এমন ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সাকিব এখন ষষ্ঠ। তার আগে রয়েছেন গ্যারি সোবার্স (৪০৭৫ রান ও ১০৭ উইকেট), ইয়ান বোথাম (২০৬৯ রান ও ২২৬ উইকেট), কপিল দেব (২৮১০ রান ও ২১৯ উইকেট), জ্যাক ক্যালিস (৭০৩৫ রান ও ১৬৫ উইকেট), ড্যানিয়েল ভেটোরি (২৪৭০ রান ও ১৫৯ উইকেট) এবং অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ (২০০৫ রান ও ১০৯ উইকেট)।

তামিম ইকবাল পেয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসের অনন্য রেকর্ড। একই দলের টেস্টের সর্বোচ্চ রানের মালিক (৩০৩৯), ওয়ানডের সর্বোচ্চ রানের মালিক (৪৪৩৭), টেস্টের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি (৭টি), ওয়ানডের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি (৬টি), টেস্টের সর্বোচ্চ ইনিংস (২০৬) ও ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংস (১৫৪)।

এই দুই সংস্করণ ছাড়া টি-২০ ক্রিকেটেও এক ইনিংসে সর্বোচ্চ অপারজিত ৮৮ তামিম ইকবালের। তবে মোট রানের দিকে তার চেয়ে সামান্য উপরে রয়েছে সাকিব আল হাসান(৮০৯)। ৯১ রান পিছিয়ে আছেন তিনি।

ব্যক্তিগত একটি বিশ্বরেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন মুমিনুল হক। আর একটি অর্ধশত করতে পারলে ডি ভিলিয়ার্সের ১২ টেস্টে ফিফটির বিশ্বরেকর্ডে পাশে নাম লেখাতে পারতেন মুমিনুল হক। ৩০ রান করে তুলে মারতে গিয়ে আউট হয়ে বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া করেছেন মুমিনুল হক।