
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন আতলেতিকো মিনেইরোর গোলকিপার এভেরসন।
ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মিনেইরাও স্টেডিয়াম আবারও আলোচনায়। আনুষ্ঠানিক নাম স্তাদিও গভেরনাদোর মাগালিয়ায়েস পিন্তো হলেও স্থানীয়দের কাছে এটি ‘মিনেইরাও’ নামেই বেশি পরিচিত। প্রায় এক যুগ আগে এই মাঠেই ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল স্বাগতিক ব্রাজিল। ফুটবল ইতিহাসে সেই ম্যাচ ‘মিনেইরাজো’ নামে পরিচিত হয়ে আছে।
দীর্ঘ সময় পর একই স্টেডিয়ামে আবারও ঘটল এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ব্রাজিলের রাজ্যভিত্তিক টুর্নামেন্ট কাম্পেয়োনাতো মিনেইরোর ফাইনালে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ক্রুজেইরো ও আতলেতিকো মিনেইরোর খেলোয়াড়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে রেফারিকে দেখাতে হয় অবিশ্বাস্য ২৩টি লাল কার্ড।
ম্যাচের শেষ দিকে বল দখলকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মাঠের পরিস্থিতি। মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয় হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি। দুই দলের খেলোয়াড়দের থামাতে নিরাপত্তাকর্মীদেরও বেশ বেগ পেতে হয়।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি আলগা বলের দখল নিতে গিয়ে আতলেতিকো মিনেইরোর গোলকিপার এভেরসনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান ক্রুজেইরোর খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ান। পরে এভেরসন ধাক্কা দিয়ে ক্রিস্তিয়ানকে মাটিতে ফেলে দিলে মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ক্রিস্তিয়ানের সতীর্থরা এগিয়ে এলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আঘাত পান গোলকিপার এভেরসন।
তুমুল উত্তেজনার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ১–০ গোলে জয় পেয়ে শিরোপা জেতে ক্রুজেইরো। দলটির কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিতে, যিনি সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ ছিলেন।
ম্যাচ শেষে আতলেতিকো মিনেইরোর ফরোয়ার্ড হাল্ক এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “এটা সত্যিই দুঃখজনক। কোনো ফুটবল ম্যাচে এর আগে এমন সংঘাত দেখিনি। আমরা এভাবে কোনো উদাহরণ স্থাপন করতে পারি না। এতে সারা বিশ্বে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। নিজেদের এবং ক্লাবের ভাবমূর্তি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”










































