
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নারী এবং ৬ জন পুরুষ রয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বাসটি পানিতে তলিয়ে গেলে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল তৎক্ষণাত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের মাঝেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি টেনে তোলা হয়। রাতভর অভিযান চালিয়ে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সরকার দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একটি কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান জানিয়েছেন, নিহতদের দাফন-কাফনের জন্য জেলা প্রশাসন পরিবারপ্রতি ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসায় ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসনেও সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘটনা জানার পর থেকেই নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে ডুবুরি দলের তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।













































