
শেখ মোহাম্মেদ বিন আবদুল রহমান আল থানি ও আব্বাস আরাঘচি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মেদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ফোনালাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান সংঘাতের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
শেখ মোহাম্মদ আল থানি এই সময় সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানে কাতারের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক সংলাপই একমাত্র কার্যকর পথ।
বিশেষভাবে তিনি হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম এই রুটে যেকোনো বিঘ্ন বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। দ্রুত স্বাভাবিক নৌ চলাচল ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান কাতারের প্রধানমন্ত্রী।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কাতার আবারও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। অতীতেও দোহা বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে মধ্যস্থতার ভূমিকা রেখেছে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি নয়, বরং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। এসব আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে চলমান সংঘাতের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেওয়া ঠেকানো।







































