cosmetics-ad

ক্ষমা চাইলেন মোদি

modi

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রোববার দেশটির দরিদ্র ও গরীব জনগোষ্ঠীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ভারত সরকার ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। এতে বিপাকে পড়েছে দিনমজুর ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী। তারা অর্ধাহারে, অনাহারে দিনযাপন করছে।

ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে যেসব ভ্রাম্যমাণ দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষ রয়েছেন তারা শত শত মাইল পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছে। কেউ কেউ মারাও যাচ্ছে। সব মিলিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য লকডাউন নিদারুণ বিপদ ডেকে এনেছে। কোনো পরিকল্পনা করা ছাড়াই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের সমালোচনাও করছে কেউ কেউ।

কিন্তু নিরুপায় হয়ে ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লকডাউনের। রাষ্ট্রীয় বেতারে গরীবদের কাছে ক্ষমা চেয়ে মোদি বলেছেন, ‘এমন কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেককেই বিপদে ফেলায় আমি ক্ষমা চাচ্ছি। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে। আমি জানি আপনাদের অনেকেই আমার উপর রাগ করবেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যে লড়াই, সেটাতে জিততে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল। গরীবরা হয়তো ভাববে যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কেমন? যিনি আমাদের এমন বিপদের মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন। কিন্তু এমন একটি সিদ্ধান্ত ভারতকে করোনার বিরুদ্ধে বিজয়ী করবে।’

লকডাউনের এই সময়ে ভারত সরকার ২২ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক প্রোণোদনা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এটার মাধ্যমে সরাসরি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। বর্তমানে ভারতের ১৩ কোটি লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২৫ মার্চ ভারত ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করে। বর্তমানে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৯ জন। মারা গেছে ২৫ জন।