
ছবি: সংগৃহীত
পৌষের শুরুতেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশার দাপট বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে গত কয়েক দিন ধরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কুয়াশা বিরাজ করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার ঘনত্ব আরও বাড়তে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা কম অনুভূত হবে এবং শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও শৈত্যপ্রবাহেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
রোববার সকাল থেকেই রাজধানীতে ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া। কিছু সময় সূর্যের দেখা মিললেও দিনভর কুয়াশা কাটেনি। দেশের অন্য অঞ্চলেও একই চিত্র দেখা গেছে। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ টেকনাফে ৩১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, শীতকালে কুয়াশা স্বাভাবিক হলেও এবার তা আরও ঘন হতে পারে। কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো দেরিতে পৌঁছায়, ফলে তাপমাত্রা বেশি না কমলেও শীত বাড়ে। উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কুয়াশা বেশি থাকবে বলেও জানান তিনি।
রাজশাহীতে রোববার সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। উত্তরের ঠান্ডা বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এক সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে। অন্যদিকে কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশায় সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে এবং নৌ চলাচলে বিলম্ব হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষদের ভোগান্তিও বেড়েছে।
জয়পুরহাটে চার দিন ধরে কুয়াশা ও পশ্চিমা বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সূর্যের দেখা না মেলায় তাপমাত্রা খুব নিচে না নামলেও শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। শীতজনিত রোগী বাড়ছে বলে স্থানীয় হাসপাতালে জানা গেছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকলেও কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।









































