
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির জনসভাস্থলের আশপাশ থেকে সাউন্ড সিস্টেম চুরির অভিযোগ উঠেছে। জনসভা শুরুর আগেই ১৮টি মাইক ও পাঁচ কয়েল বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আয়োজকরা।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনসভাকে ঘিরে সকাল থেকেই মাঠে নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছিল। এ সময় আয়োজকদের নজরে আসে, মঞ্চের আশপাশে স্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাইক ও বৈদ্যুতিক তারের কয়েল নিখোঁজ। পরে এ ঘটনায় সাউন্ড সিস্টেমের মালিক কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে পলোগ্রাউন্ড এলাকা ঘিরে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি ছিল। এত নিরাপত্তার মধ্যেই সমাবেশস্থলের আশপাশ থেকে ১৮টি মাইকের ইউনিট ও পাঁচ কয়েল বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটে।
জনসভাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ড্রোন উড়ানোসহ সব ধরনের অস্ত্র, বিস্ফোরক, দাহ্য পদার্থ এবং লাঠি বা ধারাল বস্তু বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাত থেকেই কিছু সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। তবে এসব ব্যবস্থার মাঝেও চুরির ঘটনা ঘটায় আয়োজকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চুরির ঘটনায় অভিযোগকারী আবদুর রাজ্জাক, যিনি ঢাকা রাজ সাউন্ড সিস্টেমের মালিক, জানান—জনসভায় প্রায় ২০০টি মাইক স্থাপন করা হয়েছিল। শনিবার রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে সর্বশেষ লাইন চেক করে তারা স্থান ত্যাগ করেন। ওই সময় রাস্তায় তার দুইজন কর্মী টহলে ছিলেন।
তিনি আরও জানান, সকালে পুনরায় মাইক পরীক্ষা করতে গিয়ে ১৮টি মাইকের ইউনিট ও পাঁচ কয়েল বৈদ্যুতিক তার চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে বিএনপির নেতাদের পরামর্শে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। চুরি হওয়া মাইকগুলো সমাবেশস্থলের গেটের বাইরে সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন বলেন, তিনি তারেক রহমানের প্রটোকল দায়িত্বে ছিলেন। তবে মাইক চুরির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না।










































