
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন ঘিরে চট্টগ্রাম বন্দরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের শাস্তিমূলক বদলি, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ তদন্তের ঘোষণার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে রয়েছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কর্মবিরতি রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে অনির্দিষ্টকালে রূপ নেয়। এতে বন্দরের তিনটি টার্মিনাল ও বহির্নোঙরে পণ্য ওঠানামাসহ প্রায় সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরের ইয়ার্ডে অন্তত ৪০ হাজার আমদানিযোগ্য কনটেইনার এবং ডিপোগুলোতে ১২ হাজারের বেশি রপ্তানিযোগ্য কনটেইনার আটকা পড়েছে।
আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগে ডিবি পরিচয়ে ছয়জন শ্রমিক-কর্মচারীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এর আগে ১৫ জন কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি এবং তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও অবৈধ সম্পদ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এদিকে রোববার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তার এ ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
অচলাবস্থার কারণে রমজান সামনে রেখে চাল, ডাল, গম, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য খালাসে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।







































