
ছবি: সংগৃহীত
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয় করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সফরকারী পাকিস্তানের সামনে ২৯১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে শুরুতেই তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে স্বাগতিকরা।
মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া পাকিস্তানকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে ঘুরি ২৯ এবং সামাদ ৩৪ রান করে বিদায় নিলে ১০০ রানের আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে বড় হারের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।
বিপর্যয়ের মুখে দলের হাল ধরেন সালমান আলি আগা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিষিক্ত ব্যাটার সাদ মাসুদ। এই জুটি ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও ৩৮ রান করা মাসুদকে বোল্ড করে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর ফাহিম আশরাফকে ৯ রানে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। শেষ দিকে সালমান আলি আগা একাই বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে ম্যাচটি জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করা তাসকিন আহমেদ একাই ৪টি উইকেট শিকার করে জয়ের পথ সুগম করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ দারুণ সূচনা পায়। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ১০৫ রান সংগ্রহ করেন। শাহীন আফ্রিদির বলে ৩৬ রান করে সাইফ বিদায় নেওয়ার পর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন তানজিদ হাসান তামিম। ৯৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা এই ওপেনার শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ১০৭ রানের একটি দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৭টি ছক্কা ও ৬টি চারের মার।
তানজিদের বিদায়ের পর চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ৬৮ রানের জুটি গড়ে সংগ্রহ বড় করেন। লিটন ৪১ এবং রিশাদ হোসেন প্রথম বলেই আউট হলেও হাল ছাড়েননি হৃদয়। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের স্কোরকে ২৯০ রানে পৌঁছে দেন তিনি।
পাকিস্তানের পক্ষে হারিস রউফ ৩টি এবং আবরার আহমেদ ও শাহীন আফ্রিদি ১টি করে উইকেট নেন। শেষ পর্যন্ত টাইগার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।










































