
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য সব ধরনের কল্যাণমূলক ভাতা বিতরণে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’। চলতি বছরের ১ মে থেকে শুরু করে মাত্র এক মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় থাকা প্রায় ১ কোটি ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীর দোরগোড়ায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অত্যন্ত সফলভাবে ও নিরাপদে পৌঁছে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নগদ মারফত প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ বিতরণ করা হয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (এসএসএন) কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তির আওতায়। এই একটি খাত থেকেই প্রায় ৭৮ লাখ ৫১ হাজারের বেশি উপকারভোগীর ডিজিটাল ওয়ালেটে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ সাশ্রয়ী উপায়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির (পিইএসপি) মাধ্যমে প্রায় ৬৯ লাখ শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছে পৌঁছে গেছে ৫৭৯ কোটি টাকারও বেশি।
নারী ও শিশুদের সামাজিক সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নগদের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ ভাতাভোগীর হাতে পৌঁছেছে প্রায় সাড়ে ৯৭ কোটি টাকার সরকারি অনুদান। এছাড়া ডিডিএম-এর অধীন ইজিপিপি প্লাস/বিসিআরএসআর প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (পিএমইএটি)-এর ২০ হাজারের বেশি উপকারভোগীর মাঝে সফলভাবে ১৩ কোটি টাকার বেশি সরকারি ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।
চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেই সময়েও নগদের ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা নিয়েছেন সর্বোচ্চ ১ কোটি ৩১ লাখের বেশি মানুষ। সেই তিন মাসে নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রাহকেরা প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকার সরকারি সাহায্য পেয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০০ কোটি টাকা বেশি।
ডিজিটাল এই কর্মযজ্ঞ নিয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, “সরকারি ভাতা, উপবৃত্তি ও বিভিন্ন প্রান্তিক সহায়তা কর্মসূচির অর্থ বিতরণে নগদ ধারাবাহিকভাবে একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী নগদকে তাদের পছন্দের প্রথম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ায় আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমাদের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, সহজলভ্যতা এবং দেশের সবচেয়ে বিস্তৃত ডিজিটাল আর্থিক নেটওয়ার্কের কারণেই অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই সরকারি অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।”
শুরু থেকেই সরকারি আর্থিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা, গতিশীলতা এবং জনগণের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে নগদ অন্যতম অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও কোনো বাড়তি খরচ ছাড়া সহজে ক্যাশ আউট করার সুবিধার কারণে সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি গ্রহণের জন্য নগদকে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক মনে করছেন।








































