cosmetics-ad

বোরকা পরে আসায় স্বর্ণপদক পেল না ফার্স্ট হওয়া ছাত্রী

borkha

ভারতের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিম ছাত্রীদের পোশাকের কারণে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। মুম্বাই ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মুসলিম মিরর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময় দেশব্যাপী এরকম অসহিষ্ণুতার বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। যার সর্বশেষ শিকার ঝাড়খণ্ডের রাঁচি শহরের এক শিক্ষার্থী। যিনি পরীক্ষায় প্রথম হয়েও স্বর্ণপদক গ্রহণ করতে পারেননি ধর্মীয় পোশাকের কারণে।

গত রোববার রাঁচির মারওয়ারি কলেজে ঘটেছে এই ঘটনা। নিশাত ফাতিমা নামের এক ছাত্রী স্নাতক সমাপনী পরীক্ষায় সেরা হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলেও তাকে সনদ ও স্বর্ণপদক দেয়া হয়নি বোরকা পরে অনুষ্ঠানে আসার কারণে।

স্নাতক সনদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বোরকা পরে হাজির হন নিশাত। প্রথম হওয়ায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শুরুতেই তাকে পুরস্কার গ্রহণ করার জন্য আহ্বান করা হয়; কিন্তু তাৎক্ষণিক আবার ঘোষণা করা হয় যে, কলেজের নির্ধারিত পোশাক পরে না আসায় (ড্রেস কোড) তাকে এই অনুষ্ঠানে ডিগ্রি প্রধান করা হবে না।

এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ পরবর্তী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়। এ ঘটনার বিষয়ে নিশাতের বাবা মোহাম্মাদ ইকরামুল হক বলেন, যদিও অনুষ্ঠানের ড্রেস কোড ছিল; কিন্তু বোরকা আমাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য।

ড্রেস কোড অনুযায়ী ছাত্রদের কুর্তা পাজামা ও ছাত্রীদের সালোয়ার কামিজ, স্কার্ফ অথবা শাড়ি পরে আসার কথা বলা হয়েছিল। যদিও তাতে কোন নির্দিষ্ট রংয়ের কথা বলা হয়নি।

এর কয়েকদিন আগে দেশটির উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদের একটি শীর্ষস্থানীয় কলেজ মেয়েদের হিজাব বা বোরকা নিষিদ্ধ করেছে।