
জাফার জ্যাকসন
বিশ্বসংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জীবন ও সংগীত নিয়ে নির্মিত বায়োপিক ‘মাইকেল’ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সিনেমাটি বক্স অফিসে রীতিমতো রাজত্ব করছে। মাত্র কয়েক দিনেই উত্তর আমেরিকায় ছবিটির আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে।
অ্যান্টোইন ফুকা পরিচালিত এই সিনেমাটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ৯৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে রেকর্ড গড়েছে, যা বায়োপিক ঘরানার ইতিহাসে অন্যতম সেরা ওপেনিং হিসেবে ধরা হচ্ছে। এমনকি মুক্তির আগের স্পেশাল স্ক্রিনিং থেকেই এটি ১৩ মিলিয়ন ডলার ঘরে তুলেছিল। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২২৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি।
সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে জাফার জ্যাকসনকে। মাইকেল জ্যাকসনের আপন এই ভাতিজা পর্দায় পপসম্রাটের চরিত্রটি এতই নিঁখুতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে সমালোচক—সবাই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেও সিনেমাটির জনপ্রিয়তায় কোনো ভাটা পড়েনি। গত সোমবার কেবল উত্তর আমেরিকার বাজারেই এটি ৭.৬৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, ফলে সেখানে মোট সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৪ মিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক বাজারেও ‘মাইকেল’ সমান দাপট দেখাচ্ছে। বিদেশের মাটিতে মাত্র চার দিনে প্রায় ১২২ মিলিয়ন ডলার আয় করে এটি ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রের তালিকায় ইতোমধ্যে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটির এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের অদেখা গল্পের উপস্থাপন এবং জাফার জ্যাকসনের অনবদ্য অভিনয়। যে গতিতে সিনেমাটি এগোচ্ছে, তাতে অনেক বিশেষজ্ঞই ধারণা করছেন এটি খুব শীঘ্রই ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে। যদি সত্যিই তা ঘটে, তবে ‘মাইকেল’ হবে ইতিহাসের প্রথম বায়োপিক যা এই অনন্য রেকর্ড গড়বে।










































