
ছবি: সংগৃহীত
সিলেট বিভাগের সব পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বর্তমানে পাম্পগুলো খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং সকাল ১০টার মধ্যে কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা, চাঁদাবাজি এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল না দেওয়ার প্রতিবাদে বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস এবং পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটি। একই দাবিতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাক ও ট্যাংকলরি ফেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন চালকরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী। তিনি মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক অবরোধ মুক্ত করেন। কমিশনার জানান, পাম্প মালিকদের অসন্তোষের বিষয়গুলো নিয়ে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা হবে।
সংগঠনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির মুখপাত্র ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গভীর রাতে সিদ্ধান্ত হওয়ায় সব পাম্পে তাৎক্ষণিকভাবে বার্তা পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে সকালের মধ্যেই সব ফিলিং স্টেশন সচল হয়ে যাবে।
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ তারা পাননি। তবে পুলিশ কমিশনার স্পষ্ট করেছেন যে, চাঁদাবাজির কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










































