রবিবার । মার্চ ৮, ২০২৬
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক ৮ মার্চ ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ন
শেয়ার

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে লন্ডনে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ


UK protest

লন্ডনের মিলব্যাংক এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিল ভক্সহলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পর্যন্ত যায়

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রতিবাদে লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভের আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠনের একটি জোট।

আয়োজকদের দাবি, শনিবার বিকেলে লন্ডনের মিলব্যাংক এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিল ভক্সহলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পর্যন্ত যায়, যেখানে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলার অষ্টম দিনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এর কিছু সময় আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‌‘খুব কঠোরভাবে’ আঘাত হানবে।

মার্কিন দূতাবাসের সামনে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য জারাহ সুলতানা। তিনি বলেন, ‘২০০৩ সালে আমাদের বলা হয়েছিল ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে। বলা হয়েছিল যুদ্ধ নাকি শান্তি ও গণতন্ত্র বয়ে আনবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন বলা হয়েছিল এই যুদ্ধ ইরাকি জনগণ ও বিশ্বকে রক্ষা করবে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

জারাহ সুলতানা বলেন, ‘২৩ বছর আগে যখন আমরা ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলাম, তখন আমাদের কথা উপেক্ষা করা হয়েছিল। এবার আমরা উপেক্ষিত হব না। ইতিহাস প্রমাণ করেছে আমরা সঠিক ছিলাম, আর আজ আমরা শান্তি, ন্যায়বিচার এবং অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া এক পৃথিবীর জন্য কণ্ঠ তুলছি।’

এদিকে শনিবার সকালে বিক্ষোভের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর বোমারু বিমান ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের গ্লস্টারশায়ারে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্স ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে অবতরণ করে।

মার্কিন যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের ওপর হামলা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করবে।

ব্রিটিশ সরকার ইতোমধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

বাংলা টেলিগ্রাফ উদ্যোগের গল্প