
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে বরাবরের মতো শিডিউল বিপর্যয়ের ভোগান্তি না থাকায় এবারের ঈদযাত্রার শুরুটা হয়েছে বেশ স্বস্তিদায়ক।
কমলাপুর থেকে প্রতিটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সন্তুষ্টি দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার আগেভাগেই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও বড় কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। তবে কিছু কিছু ট্রেনের বগিতে নম্বর না থাকায় আসন খুঁজে পেতে সাময়িক ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন কয়েকজন যাত্রী।
উৎসব শেষে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে আজ থেকে। রোববার সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে শুরু হয়েছে আগামী ২৫ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। কালোবাজারি রোধে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে দিচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই ধাপে টিকিট বিক্রি হচ্ছে:
সকাল ৮টা: পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।
দুপুর ২টা: পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট।
এর আগে ১৩ ও ১৪ মার্চ যথাক্রমে ২৩ ও ২৪ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে। আগামী ১৬ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ২৬ থেকে ২৯ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদের পরের টিকিট বিক্রির সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।










































