রবিবার । মার্চ ২২, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক দেশজুড়ে ৩ এপ্রিল ২০১৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার

আগামীকাল সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ


BNPবিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে আগামীকাল রাজধানীসহ দেশের সব জেলা সদর ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে দলটি। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, সরকার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আলোচনা সভা করতে দেয়নি। পুলিশ সেখানে বাধা দিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা আবারো দেখাল যে, তাদের স্বৈরাচারী আচরণ অব্যাহত আছে। এখন আর কাউকে কথা বলতে দিচ্ছে না সরকার। তাদের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বললেই সভা ভণ্ডুল করে দেয়া হচ্ছে। তাই সরকারের স্বৈরাচারী আচরণ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে আগামীকাল দেশের সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির অর্থনীতি-বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, শিক্ষা-বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, গণশিক্ষা-বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, সমাজকল্যাণ-বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত বছর বিএনপির ডাকা অবরোধ চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যার মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে গত বুধবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল ইসলাম মোল্লা। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা ওই মামলায় এ আদেশ দেয়া হয়।

গত বছরের ১৯ মার্চ মামলাটিতে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চার্জশিটে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনকে আসামি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৮ জন পলাতক থাকায় আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ডেমরা রোডে গ্লোরি পরিবহনের একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলায় ৩১ জন দগ্ধ হন। পরে ওই ঘটনায় নূর আলম নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হলে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। একই ঘটনায় দায়ের করা অন্য একটি মামলায় একই আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক আরো দুটি অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। তিনটি চার্জশিটেই খালেদা জিয়াকে প্রধান ও হুকুমের আসামি দেখিয়ে তাকে পলাতক দেখানো হয়।