sentbe-top

বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া এক অসহায় শিক্ষার্থীর গল্প

শুরু থেকেই বিশ্বাস ছিল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে যে কোনো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স আমি পাবোই। সেই বিশ্বাস থেকে এলাকার অনেকের কাছে টাকা ধার নিয়ে পরীক্ষা দিতে গেছিলাম। চান্স পাইনি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এফ ইউনিটে ১২৭তম ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ই ইউনিটে ৪৬তম এবং ডি ইউনিটে ২৭৮তম স্থানে রয়েছি। খুব ইচ্ছে আছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। আগামী ১৮ ডিসেম্বর এখানে ভর্তির শেষ দিন। এজন্য ৯ হাজার ৭শ’ টাকা দরকার। অথচ আগের ধার দেনাগুলোই এখনও পরিশোধ করতে পারিনি।

আগের টাকাগুলো পরিশোধ না করলে নতুন করে আর কেউ হয়তো টাকা ধার দেবে না। তাছাড়া আব্বার পক্ষে দিনমজুরি করে এত টাকা যোগার করাও সম্ভব না। বাড়ির কোনো কিছু বিক্রি করে যে টাকা যোগার করবো সেই ব্যবস্থাও নেই আমাদের।
কষ্টের কথাগুলো জাগো নিউজকে এভাবেই বলছিল পবিত্র বর্মন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের উত্তর ঠাকুরগাঁও গ্রামে। সে ওই গ্রামের দিনমজুর ধরোনী বর্মনের ছেলে।

পবিত্র বর্মন ২০১৫ সালে পুরাতন ঠাকুরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ ও ২০১৭ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৫ পেয়েছে।

এ ব্যাপারে আকচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মন জাগো নিউজকে জানান, ছেলেটির পরিবারটি খুবই গরিব। আমিও নিজেও কিছু সহযোগিতা করতে চেয়েছি। ভর্তির টাকা হয়তো আমরা যেকোনোভাবে ব্যবস্থা করে দিতে পারবো। কিন্তু ভর্তির পরে প্রতিমাসে তার থাকা খাওয়ার খরচ কীভাবে যোগার হবে সেই চিন্তা করছি। তিনি এ প্রতিবেদককে অনুরোধ করেন তাকে নিয়ে একটি মানবিক সংবাদ প্রকাশের জন্য

তিনি বলেন, মানবিক সংবাদগুলো দেখে অনেক হৃদয়বান মানুষ অসহায় মেধাবীদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়ে থাকেন। তারও যদি কেউ দায়িত্ব নেয় তাহলে পবিত্র হয়তো একদিন অনেক বড় হবে।

পবিত্র বর্মনের সঙ্গে সরাসরি কেউ কথা বলতে চাইলে তাকে ০১৭০৫৮৯৬৬৪৬ নম্বরে পাওয়া যাবে। জাগোনিউজ।

sentbe-top