cosmetics-ad

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের অহংকার

maleshia-students

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের অহংকার। এদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। বিশ্বের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে মেধার স্বাক্ষর রাখছেন তারা। শুধু শিক্ষার্থীরাই নন মালয়েশিয়ার কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য শিক্ষকও রয়েছেন বাংলাদেশের। যারা দেশের জন্য প্রেরণা।

এসব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন নামে সংগঠন। আর এ সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সমস্যা- সম্ভাবনা ও দেশের কৃষ্টি-কালচার তুলে ধরছেন বিদেশিদের মাঝে।
ja
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের নির্বাচন। নির্বাচনের পরপরই ২৩ মার্চ বিকেলে ইউনিভার্সিটি টেনাগা ন্যাশনাল মালয়েশিয়ার উদ্যোগে আর এইচ আর ইউনিটেন হোটেলের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে দূতাবাস এবং ইউনাইটেডের মধ্যে নেট ওয়ার্কিং অনুষ্ঠান।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- ইউনিভার্সিটি টেনাগা ন্যাশনাল মালয়েশিয়ার উপাচার্য দাতুক প্রফেসর কামাল নাসরুদ্দিন মোস্তফা ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি টেনাগা ন্যাশনাল মালয়েশিয়ার উপ-উপাচার্য মো. জামরি ইউসুফ।

অংশগ্রহণ করেন ১২ দেশের শিক্ষার্থী ও দূতাবাসের কর্তারা। বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়াস্থ দূতাবাসের মিনিস্টার রইছ হাসান সারোয়ার।

বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সভাপতি ও মাহাসা ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রনিক কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক আই ইউ কে এলের ইলেক্ট্রনিক মার্কেটিং-এর ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আরোনিমা হোসেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার রইছ হাসান সারোয়ারের হাতে ইউনিভার্সিটির সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন ইউনিভার্সিটি টেনাগা ন্যাশনাল মালয়েশিয়ার উপাচার্য দাতুক প্রফেসর কামাল নাসরুদ্দিন মোস্তফা।

এছাড়া মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাফল্যের বিষয় উল্লেখ করে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ গড়ার এবং লেখাপড়ার পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে দেশীয় কালচার তুলে ধরার আহ্বান জানান দূতাবাসের মিনিস্টার রইছ হাসান সারোয়ার।

মাহাসা ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রনিক কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শরিফুল জানান, মালয়েশিয়ার সবকটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার পরিবেশ থাকার কারণে অনেকের আকর্ষণ বেড়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ছাত্র-শিক্ষকরা সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছেন। প্রতিযোগিতায় মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তারা। মালয়েশিয়ার কিছু প্রতিষ্ঠান বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় আর সেখানে বাংলাদেশের এক সময়ের ছাত্র এখন শিক্ষকের আসনে অসীন। এমন চিত্র আনন্দের। ইউনিভার্সিটি টেনাগা ন্যাশনাল মালয়েশিয়ার এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করাটাই চরম আনন্দের।

বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক আই ইউ কে এলের ইলেক্ট্রনিক মার্কেটিং-এর ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আরোনিমা হোসেন বলেন, বিশ্বের কোথাও ছাত্র রাজনীতি নেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও ছাত্র রাজনীতি একটা সীমাবদ্ধ গণ্ডিতে আছে।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধসহ উচ্চশিক্ষার মান বাড়াতে গবেষণার ওপর পরামর্শ দিয়েছেন এ শিক্ষার্থী।

বাংলাদেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।