
নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়াকে জামিন না দেওয়ার আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, হত্যার আগে লাশ গুম করার উপায় জানতে তিনি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন করেছিলেন।
নথি অনুযায়ী, হিশাম জানতে চান—একজন মানুষকে কালো ময়লার ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেললে কী হয়। পরে তিনি আরও প্রশ্ন করেন, ‘তারা কীভাবে জানতে পারবে?’
রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থী দুজন নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন আগে, ১৩ এপ্রিল এসব প্রশ্ন করা হয়েছিল। ১৬ এপ্রিল লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজ হন।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ১৭ এপ্রিল হিশামকে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কয়েকটি কার্ডবোর্ড বাক্স কমপ্যাক্টর ডাস্টবিনে ফেলতে দেখেন তার এক রুমমেট। পরে ওই ডাস্টবিনে তল্লাশি চালিয়ে লিমনের স্টুডেন্ট আইডি ও ক্রেডিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।
গত শুক্রবার লিমনের মরদেহের অংশ উদ্ধার হওয়ার পর হিশামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টির জীবিত থাকার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে রোববার তল্লাশির সময় মানবদেহের কিছু অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা শনাক্তের কাজ চলছে।
তদন্তকারীরা জানান, ঘটনার রাতে হিশাম ময়লার ব্যাগ ও জীবাণুনাশক তরল কিনেছিলেন। তার অ্যাপার্টমেন্টে রক্তের চিহ্নও পাওয়া গেছে। এছাড়া বৃষ্টির মোবাইল কভারসহ কিছু ব্যক্তিগত সামগ্রী ফেলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
হত্যার কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।










































