
সংগৃহীত ছবি
আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মো. মহিউদ্দিন দাবি করেছেন, হাসপাতালে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে কোনো নবজাতকের মৃত্যু হয়নি। একই সঙ্গে হাসপাতালের লাইসেন্স বহাল রাখতে সরকারি মহলে ঘুষ বা অর্থ লেনদেনের চেষ্টা করা হয়েছে—এমন অভিযোগও তিনি নাকচ করেছেন।
সোমবার (১৫ জুন) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরকারের তদন্ত প্রতিবেদনের পর বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে। পাশাপাশি ভবনের নিচে থাকা বেকারি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. মহিউদ্দিন বলেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির সঙ্গে ওই মৃত্যুগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া হাসপাতালের লাইসেন্স রক্ষায় মন্ত্রীর কাছে অর্থ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আপিল করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবনটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য অনুপযোগী বলে সরকার যদি আইনগত ও কারিগরি প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে ভবনটি ভেঙে ফেলতেও তারা প্রস্তুত।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সংকটের মধ্যেও হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। তাদের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১১ জুন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করে দায় প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।














































